এপ্রিল ফুলের ইতিহাস

১লা এপ্রিলঃ / এপ্রিল ফুলের ইতিহাস যা মুসলিম নিধনের এক রক্তাক্ত ঘটনা

আন্তর্জাতিক

এপ্রিল ফুলের ইতিহাস : এপ্রিল মাসের ১ তারিখ এই দিনটিকে অনেকেই এপ্রিল ফুল হিসেবে পালন করি অর্থাৎ এই দিনে একজন মানুষ অপর আরেকজন মানুষকে ধোকা দিয়ে বোকা বানিয়ে মজা করি । মূলত এই এপ্রিল ফুল কোথা থেকে আসলো এ বিষয়ে যদি আপনি জানেন তাহলে হয়তো আর কোনদিন এই কাজ আপনি করবেন না । তো চলুন আগে জেনে নেই এই এপ্রিল ফুল কোথা থেকে আসলো।

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকালের ৭০ বছর যেতে না যেতে মুসলমানেরা গোটা পৃথিবীতে ইসলাম এর বাণী নিয়ে ছড়িয়ে পড়েন । এরই ধারাবাহিকতায় তারেক বিন জিয়ার স্পেনের উদ্দেশ্যে রওনা হন । তারেক বিন জিয়ার এর নেতৃত্বে বিশাল এক বাহিনী জাহাজ নিয়ে ভূমধ্যসাগর পারে গিয়ে পৌঁছায় । তারেক বিন জিয়াদ তার সঙ্গী সাথীদেরকে বলেন আমাদের যে জাহাজটি রয়েছে এটি কে উপরে উঠিয়ে ফেলো । উপরে উঠানোর পর তারেক বিন জিয়াদ নিজেই ওই জাহাজটির মধ্যে আগুন ধরিয়ে দেন । আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন জাহাজটিকে যখন পুড়িয়ে ধ্বংস করে ফেলা হলো তখন সেখানে তারেক বিন জিয়াদ বক্তব্য দিয়েছিলেন ।

এপ্রিল ফুলের ইতিহাস


তার এই জ্বালাময়ী বক্তব্য পৃথিবীর ইতিহাসে আজও লিখিত রয়েছে । তারেক বিন জিয়াদ বলেছিল : হে আমার সঙ্গীরা জাহাজটিকে তো পুড়িয়ে দেওয়া হলো এখন আমরা কোথায় যাব আমাদের পেছনে রয়েছে বিশাল ভূমধ্যসাগর আর সামনে রয়েছে স্পেনের বিশাল সেনাবাহিনী । এখন আমরা যদি পেছনে যাই তাহলে ভূমধ্য সাগরের মধ্যে ডুবে সবাই মারা যাব , আমাদের ফিরে যাওয়ার আর কোনো পথ নেই । আমরা আল্লাহর রাস্তায় তার দিন প্রচার করতে বের হয়েছি , হয় আমাদেরকে মরতে হবে আর না হয় স্পেনের বিশাল সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে স্পেনকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে ।


তারেক বিন জিয়াদ এর কথা মতে মুসলিম সৈন্যবাহিনী নিয়ে স্পেনের সেনাদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়া হলো এক পর্যায়ে স্পেনের সেনাবাহিনীদের কে পরাজিত করে সেখানে কালিমার পতাকা উত্তোলন করা হলো ।

তারেক বিন জিয়াদ এই যুদ্ধের পর স্পেনসহ গোটা ইউরোপে ইসলামের বাণী পৌঁছে গেল , সবাই ইসলাম সম্পর্কে জানতে শুরু করল । তারেক বিন জিয়াদ এর নেতৃত্বে মুসলমানগণ সেখানে বড় বড় মসজিদ , মাদ্রাসা , ইউনিভার্সিটি সহ বড় বড় স্থাপনা তৈরি করতে লাগলো । বর্তমানে স্পেনের যত বড় বড় স্থাপনা রয়েছে তার মধ্যে বেশিরভাগ স্থাপনায় মুসলমানদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল ।

মুসলিম নিধনের এক রক্তাক্ত ঘটনা

তখনকার মুসলমানদের মধ্যে থাকা অনেক বিজ্ঞানী কেই আমরা চিনে থাকি , যেমন বর্তমানে আমরা যে ঘড়ি বা কম্পাস ব্যবহার করি তা তখনকার মুসলমান বিজ্ঞানীদের দ্বারাই আবিষ্কৃত হয়েছিল । তখনকার মুসলিম রা এত কিছু আবিষ্কার করার পর বা এত কিছু স্থাপনা স্থাপন করার পরেও শেষে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল । ওদের ধ্বংসের পিছনে মূলত কারণ হচ্ছে তাদের অহংকার তাদের হিংসা তার অনেক কিছু আবিষ্কার করার পর বা স্থাপন করার পর তারা নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস বেড়ে গিয়েছিল হিংসা বিদ্বেষ সৃষ্টি হয়েছিল তারা নিজেদের খেয়াল খুশির মতো সব ধরনের কাজ করতো । তারা তখন ভোগ-বিলাসে আসক্ত হয়ে গিয়েছিল ঠিক এই সময়ে রানী ইসাবেলার পক্ষ থেকে মুসলমানদের উপর আতর্কিত হামলা করা হয় । এমনভাবে মুসলমানদের উপর হামলা করা হয়েছিল যে এই হামলার জন্য মুসলমানরা একেবারেই প্রস্তুত ছিল না । সেজন্যই তাদের পরাজয় বরণ করতে হয়েছিল ।

রানি ইসাবেলার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে এই মসজিদের ভিতরে যারা আশ্রয় গ্রহণ করবে তাদের কোন নির্যাতন করা হবে না বা তাদের মেরে ফেলা হবে না , তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে । রানী ইসাবেলার কথা মত প্রায় ৪০০০০ মুসলমান সেই মসজিদের ভেতরে আশ্রয় নিয়েছিল । মুসলমানরা মসজিদের ভিতরে আশ্রয় নেওয়ার পরেই মসজিদে চারপাশ থেকে ডিজেল পেট্রোল দিয়ে মসজিদকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল যার ফলে মসজিদের ভিতরে থাকা চল্লিশ হাজার মুসলমান একসাথে পুড়ে মারা গিয়েছিল আর সেই দিনটি ছিল পহেলা এপ্রিল যা আমরা এখন এপ্রিল ফুল হিসেবে পালন করি ।

এছাড়াও মুসলমান নারী এবং শিশুদেরকে বলা হয়েছিল তোমরা যদি প্রাণ বাঁচতে চাও তাহলে ভূমধ্যসাগরে থাকা জাহাজে অবস্থান নাও , জাহাজে থাকলে তোমাদেরকে নিরাপত্তা দেওয়া হবে তোমাদের হত্যা করা হবে না । মুসলিম নারী এবং শিশুরা জাহাজের মধ্য ওঠার পর জাহাজের তলায় ফুটো করে দিয়ে ভূমধ্যসাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই ফুটো দিয়ে পানি উঠে ভূমধ্যসাগরে সাহায্য থাকা সকল নারী এবং শিশুরা ডুবে মারা গিয়েছিল । এটাই হচ্ছে পহেলা এপ্রিল যেই দিনটাতে মুসলমানদের বোকা বানিয়ে হত্যা করা হয়েছিল । আপনি একটু খোঁজ নিয়ে দেখেন এখনো বর্তমানে স্পেনবাসীরা মুসলমানদের বোকা বানিয়ে হত্যা করার দিনটি বিভিন্নভাবে পালন করে থাকে । আমাদের মুসলমানদের মধ্যে যারা না বুঝে না জেনে এই ডিভোর্সটা পালন করে তারা এই পোস্টটা পড়ার পর আর পালন করবেন না আশা করি ।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *