জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কিভাবে কাজ করে

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কিভাবে কাজ করে ? এর মাধ্যমে 13 মিলিয়ন বছর আগের ছবি কিভাবে তোলা হয় !

টেকনোলজি

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কিভাবে কাজ করে ? এর মাধ্যমে 13 মিলিয়ন বছর আগের ছবি কিভাবে তোলা হয় ! আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আমরা অনেকেই টাইম ট্রাভেল নিয়ে বিভিন্ন সিনেমা নাটক দেখে থাকি কিন্তু বিজ্ঞানীরা বর্তমান সময়ে পর্যন্ত এখনো কোনো টাইম মেশিন বা এরকম কিছু আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়নি কিন্তু বাস্তবে টাইম ট্রাভেল করার না গেলেও জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এমন একটা টেলিস্কোপ যার মাধ্যমে মহাকাশে 13 মিলিয়ন বছর আগে কি ঘটেছিল সেটা আপনি দেখতে পারবেন । মানে আপনি টাইম টেবিল করতে না পারলেও ইতিহাসে কি ঘটেছিল সেটা দেখতে পারবেন । আজকে আমরা নাসার বিখ্যাত টেলিস্কোপ সেল্স ওয়েব টেলিস্কোপ সম্পর্কে আলোচনা করব ।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কিভাবে কাজ করে ?

James web telescop এর সব থেকে ভালো দিক হল এটা ইনফারেট লাইট ডিটেক্ট করতে পারে । সাধারণত আমরা খালি চোখে অথবা সাধারণ কোন টেলিস্কোপ দিয়ে যদি আসমানের দিকে তাকাই তাহলে শুধুমাত্র আলোকিত গ্রহ নক্ষত্রগুলো দেখতে পাই । আমাদের চোখ আলো ছাড়া অন্ধকারে কিছু দেখতে পারে না । সাধারণত দোকানে যেসব টেলিস্কোপ বিক্রি হয় সেগুলো দিয়ে আলোকিত বস্তুই দেখা সম্ভব মানে আমরা খালি চোখে যা দেখতে পারি শুধুমাত্র সেই জিনিসপত্রগুলো দূর থেকে জুম করে দেখা যায় । কিন্তু নাসার আবিষ্কৃত এই জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ শুধুমাত্র আলোকিত বস্তু নয় বরং ইনফার েট লাইট ডিটেক্ট করতে পারে অর্থাৎ যেগুলো খালি চোখে দেখা যায় না মানে অন্ধকারের বস্তুগুলো এই মাধ্যমে দেখা যায় ফলে এই টেলিস্কোপ দিয়ে তোলা ছবি অত্যন্ত ভালো কোয়ালিটির হয় ।

ইন্টারনেট ক্যামেরা কিভাবে কাজ করে?

ইন্টারনেট এর সাধারণ অর্থ দাঁড়ায় লালের নিচে । সকল বস্তু হিট জেনারেট করে অর্থাৎ গড় ভয় বা তার উৎপন্ন করে সে সকল বস্তু এই ইনফারেট ক্যামেরার মাধ্যমে দেখা যায় । সাধারণত বর্তমানে অনেক বিষয় ক্যামেরায় ইনভাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় যার মাধ্যমে হিট পণ্যকারী বস্তু দেখা যায় অন্ধকার ও ।

যেহেতু মানুষ জীবজন্তুসহ সূর্য বা বিভিন্ন গ্রহ নক্ষত্র থেকেও তাপ উৎপন্ন হয় সেতুর জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে ইনফারেট পড়তে সাহায্যে সে সকল গ্রহ নক্ষত্রকে খুব সহজেই ডিটেক্ট করা যাবে বা ইনফারেট ক্যামেরার মাধ্যমে খুব সুন্দর ছবি তোলা যাবে । ইনভাইট ক্যামেরার শক্তি বাড়ানোর জন্য দরকার যত বড় মিরর লাগানো হবে ছবি তত পরিষ্কার দেখা যাবে সেজন্য জেমস ওয়েব টেলিস করবে ২৪ ক্যারেটের পিওর সোনার মিরর লাগানো হয়েছে যাতে করে খুব সহজে এবং এইচডি কোয়ালিটির ছবি তোলা যায় ।

ইন্টারনেট ক্যামেরার কাজ বিস্তারিত ?

কিন্তু এখানে সমস্যা আরেকটা হচ্ছে টেলিস্কোপ যখন ছবি তুলবে তখন নিজেও তাপ উৎপন্ন করবে যার ফলে ছবি তুলতে অনেকটা সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে সেজন্য এই টেলিস্কোপ এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে শুধুমাত্র -223 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় টেলিস্কোপ কাজ করবে । এখন আপনার মনে একটা প্রশ্ন আসতে পারে যে এত কম তাপমাত্রা কিভাবে সম্ভব । পৃথিবীতে সাধারণত 80 থেকে 85 ডিগ্রি তাপমাত্রা হতে পারে কিন্তু মহাকাশে সূর্যের আলো যেখানে পড়েনা দেখা সেখানকার তাপমাত্রা অনেক কম হয় কারণ সূর্যের আলো ছাড়া কোন জায়গা গরম হতে পারে না । এজন্য জেমস ওয়েব এমন একটা কক্ষপথে সেট করা হয়েছে যেখানে সূর্যের আলো লাগে না এবং সূর্যের আলো প্রটেক্ট করার জন্য এই টেলিস্কোপে লাগানো হয়েছে স্পেশাল প্রটেক্টর ।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ দিয়ে কিভাবে ১৩ মিলিয়ন বছর পূর্বের ছবি তোলা সম্ভব ?

এটা খুবই সাধারণ একটা বিষয় । সাধারণভাবে বলতে গেলে পৃথিবীতে সূর্যের আলো পৌঁছাতে প্রায় আট মিনিটের থেকে বেশি সময় লাগে , এখন ধরেন যদি কোন কারণে সূর্য ধ্বংস হয়ে যায় বা সূর্য চলে না থাকে তাহলে পৃথিবীতে থাকা মানুষদের বুঝতে প্রায় আট মিনিট সময় লাগবে কারন পৃথিবী না থাকার জন্য যে অন্ধকারে সৃষ্টি হবে সে অন্ধকার আসতেও প্রায় ৮ মিনিটের মত সময় লাগবে । যেহেতু সূর্য থেকে আলো আসতে আট মিনিট সময় লাগে সে তো আমরা পৃথিবী থেকে সূর্যকে ৮ মিনিট আগের অবস্থা দেখছি । আমরা যখন সূর্যকে দেখি ততক্ষণে সূর্যর সময় আমাদের থেকে ৮ মিনিট বেশি হয়ে যায় এই সাধারণ আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে ১৩ মিলিয়ন বছর পূর্বে ছবি তোলা সম্ভব ।

আরো পড়ুন- ভিপিএন কি , কত প্রকার ? বাংলাদেশের জন্য ফ্রি ভিপিএন গুলো কি কি?

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *