ব্রেস্ট টিউমার এর লক্ষণ

ব্রেস্ট টিউমার এর লক্ষণ এবং চিকিৎসা । ব্রেস্ট টিউমার কেন হয় ?

স্বাস্থ্য

ব্রেস্ট টিউমার এর লক্ষণ এবং চিকিৎসা। ব্রেস্ট টিউমার কেন হয় তা আমরা অনেকেই জানি না অথচ আমাদের উচিত এই বিষয়ে পূর্ণ ধারনা থাকা। মানব শরীরে বিভিন্ন ধরনের অসুখ রয়েছে । আমাদের প্রতিদিনের চলাফেরা খাওয়া-দাওয়া সঠিকভাবে না হওয়ার কারণে বা সতর্ক না থাকার কারণে আমাদের শরীরে বিভিন্ন জটিল এবং কঠিন রোগ আক্রমণ করে । বিশেষ করে মেয়েদের শরীরে অনেক গোপনীয় রোগ আক্রান্ত হওয়ার কারণে মেয়েরা অন্যদেরকে না বলায় বা সতর্ক না হওয়ার কারণে সে রোগ আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পেয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করে । ব্রেস্ট টিউমার বা বা স্তন টিউমার তার মধ্য একটি অন্যতম রোগ । প্রথমে মেয়েদের স্তনে টিউমারে দেখা দেয় এবং তা চিকিৎসা না করার কারণে পরবর্তীতে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় । অন্যান্য দেশের থেকে বাংলাদেশে মেয়েদের ব্রেস্ট টিউমারের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আস্তে আস্তে বেড়েই চলছে । এই রোগীর সংখ্যা বাড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে সঠিক চিকিৎসা এবং সতর্কতার অভাব । আজকে আমরা স্তন টিউমার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ !

ব্রেস্ট টিউমার কি ?

মানব শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেরকম ভাবে আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পায় তেমনি মানুষ শরীরের কোষও আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পায় । তো কোষ স্বাভাবিকের তুলনায় যখন অধিক মাত্রায় বৃদ্ধি পায় তখন সেটা টিউমারে রূপ নেয় । মেয়েদের স্তনে যখন অস্বাভাবিক মাত্রায় কোষ বৃদ্ধি পায় তখন এক ধরনের মাংসের চাকা আকৃতি ধারণ করে যাকে আমরা স্তন টিউমার বলছি । এক কথায় বলতে গেলে স্তনের অস্বাভাবিক মাত্রা কোষ বৃদ্ধির কারণে যে শক্ত চাকা চাকা অবস্থা তৈরি হয় তাকে আমরা স্তন টিউমার বলি ।

ব্রেস্ট টিউমার এর সাধারন লক্ষণ সমূহ।

মেয়েদের শরীরের প্রতিটা রোগের মত টিউমারের সাধারণ কিছু লক্ষণ দেখা দেয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হচ্ছে স্তনে শক্ত অনুভব হওয়া অর্থাৎ রোগী নিজেই তার স্তনের নির্দিষ্ট একটি জায়গা শক্ত অনুভব করবে । স্তনের বোঁটা অস্বাভাবিক মাত্রায় শক্ত হয়ে যাওয়া কিংবা ভিতরে ঢুকে যাওয়া অথবা কালো হয়ে যাওয়া । স্তনে যেকোনো এক জায়গায় চুলকানি সৃষ্টি হওয়া । এছাড়াও স্তনের কালার পরিবর্তন হয়ে যাওয়া ঘা হওয়া সহ অনেক ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত । প্রথম থেকেই সতর্ক থাকলে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে এই সমস্যা থেকে সমাধান করা যেতে পারে না হলে পরবর্তীতে ক্যান্সারের রূপ নিতে পারে ।

আপনি আরো জানতে পারেন- ক্যান্সার প্রতিরোধ করে যেসব খাবার

বেস্ট টিউমারের প্রতিকার ।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতে স্তন টিউমারের লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে ভালো চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত । এবং স্তন টিউমারের ক্ষেত্রে হোমিও চিকিৎসা নেওয়া মোটেও ঠিক হবে না । ব্রেস্ট টিউমারের লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে প্রথম থেকে যদি চিকিৎসকের পরামর্শ না নেওয়া হয় বা অসতর্কতা অবলম্বন করা হয় তাহলে টিউমার আস্তে আস্তে ক্যান্সারে রূপ নেয় যা পরবর্তীতে রোগীর জন্য অনেক ভয়াবহ রূপ ধারণ করে ।

যেকোনো রোগের প্রতিকারের প্রধান এবং সাধারণ মাধ্যম হচ্ছে সতর্কতা অবলম্বন করা বা লক্ষণ দেখা দেওয়া সাথে সাথে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা সে ক্ষেত্রে ব্রেস্ট টিউমার এর বিপরীত নয় । তাই যেকোনো রোগের লক্ষণ দেখা দেওয়া সাথে সাথে আমাদের অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে অলসতা না করে যত দ্রুত সম্ভব এবং যত ভালো চিকিৎসা সম্ভব সেটা গ্রহণ করতে হবে না হলে সেই রোগ আস্তে আস্তে বড় কোন রোগে রূপান্তর হবে এবং পরবর্তীতে রোগীর জন্য অনেক ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে ।

Google news
Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *