বাংলাদেশের জাতীয় ফল ফুল পশু এবং পাখি

কিভাবে নির্বাচন করা হয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় ফল ফুল পশু এবং পাখি ।

ইতিহাস

কিভাবে নির্বাচন করা হয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় ফল ফুল পশু এবং পাখি । ছোটবেলা থেকেই আমরা সকলে শিখে এসেছি এদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল , জাতীয় পশু বাঘ , জাতীয় পাখি দোয়েল , এবং জাতীয় ফুল শাপলা । আপনি কি কখনো এর কারণ ভেবে দেখেছেন , কেন বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা হল কিংবা আম সবার প্রিয় হওয়া সত্ত্বেও কাঁঠাল কেন আমাদের জাতীয় ফল হল। তাই আজকে আমরা জানবো কিভাবে এসব নির্বাচন করা হয় ।

কিভাবে নির্বাচন করা হয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় ফল, ফুল, পশু এবং পাখি।

সাধারণত কোন দেশের জাতীয় ফুল ফল পশু পাখি ইত্যাদি নির্বাচন করার আগে ভালোভাবে দেখে নেওয়া হয় দুটি বিষয় ।

প্রথম : যখন কোন জিনিসকে জাতীয়ভাবে নির্বাচন করা হয় তখন দেখে নেওয়া হয় সেই জিনিসটি দেশে অধিক পরিমাণে আছে কিনা । পরিমাণে বেশি থাকার অর্থ সেই জিনিসটির সাথে সবাই পরিচিত কিনা । পরিচিত না হলে তো সেই জিনিসটাকে জাতীয় ভাবি নির্বাচন করা যাবে না । ধরুন এমন একটা ফলকে জাতীয়ভাবে নির্বাচন করা হলো যা দেশের অর্ধেক মানুষ এই ফলকে চেনেই না তাহলে বিষয়টা কেমন হবে । তাই সবার আগে দেখে নেওয়া হয় এই জিনিসটির সাথে পুরো দেশের মানুষ পরিচিত কিনা ।

পরিমাণে বেশি থাকলেও সেই জিনিসটি দেশকে ভালোভাবে রিপ্রেজেন্ট করতে পারে । এ ক্ষেত্রে বলা যায় শাপলার কথা । সাধারণত বর্ষা মৌসুমে খালে বিলে পুকুরে ফুটে থাকে সাদা শাপলা । ছোট বড় বৃদ্ধ সবাই আমরা শাপলা ফুলকে খুব ভালোভাবে চিনি এবং জানি । আবার যদি বলা হয় ইলিশ মাছের কথা , কেউ কোন মাছের নাম না জানলেও ইলিশ মাছের নাম সবাই জানে , এবং ইলিশ মাছ সবার কাছে একটি জনপ্রিয় মাছ । বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করে অন্য দেশের কাছে । বাংলাদেশ সহ আশেপাশের অনেক দেশেই ইলিশ মাছ খুব জনপ্রিয় ।

দ্বিতীয় : কোন জিনিসকে জাতীয় মর্যাদা দেওয়ার আগে দ্বিতীয়ত চিন্তা করা হয় সেই জিনিসকে আশেপাশের কোন দেশের জাতীয় মর্যাদা দিয়ে ফেলেছে কিনা । এই দুটো ব্যাপারে কোন কিছুকে মূলত জাতীয় হিসেবে আখ্যায়িত করার প্রধান বিষয় । যেমন আম আমাদের কাছে সবার প্রিয় হলেও আম কিন্তু আমাদের দেশের জাতীয় ফল না, কারণ আমাদের পাশের দেশ ভারতের জাতীয় ফল আম ।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *